স্টাফ রিপোর্টার : ৯০ দিনে দেশে করোনা শনাক্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬০ হাজার। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ১৬ শতাংশ। শনাক্ত রোগীর হিসেবে মৃত্যু হার এক দশমিক দুই নয় শতাংশ। আর সুস্থ্যতার হার ২১ দশমিক এক দুই শতাংশ। রোগতত্ববিদরা বলছেন, দেশে করোনা সংক্রমণ চতুর্থ পর্যায়ের শেষ ভাগে।

চীনে সংক্রমণ শুরুর প্রায় ২ মাস পর ৮ মার্চ দেশে প্রথম শনাক্ত হয় করোনা রোগী। এর ৩০ তম দিনে আরও ১০০ জনের শরীরে পাওয়া যায় এই ভাইরাস। এর মাত্র ৬ দিনেই ৫ শো জন সংক্রমিত। অর্থাৎ প্রথম রোগী শনাক্তের ৩৭তম দিন সংক্রমণ ছাড়ায় এক হাজার।

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার স্পর্শ করে ৫৭তম দিন অর্থাৎ ৪ মে। আক্রান্ত ১০ থেকে ২০ হাজার ছাড়াতে লাগে ১১ দিন। পরের ১০ হাজার আক্রান্ত হন মাত্র ৭ দিনে। আক্রান্ত ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যায় মাত্র ৪ দিনে। পরের তিন দিনে সংক্রমণ আরো ১০ হাজার।

একই ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনায় মৃত্যুও। গত কয়েক সপ্তাহে প্রতি ৩ থেকে ৪ দিনে মারা গেছেন ১০০ জনেরও বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা সংক্রমণ চতুর্থ ধাপ অতিক্রম করে পঞ্চম স্তরের দ্বারপ্রান্তে। এরপরই পিক।

রোগতত্ববিদ ডা. আবু মো. জাকির হোসেন বলেন, মোট করোনা আক্রান্তের ২৫ ভাগই উপসর্গহীনর। তাদের চিহ্নিত করতে না পারলে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াবে।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনা আক্রান্তের হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান ২১তম। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের উপরে ভারত ও পাকিস্তান। সবচেয়ে কম সংক্রমণ ভুটানে।