হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি : ভুমি মালিকানা নিয়ে বিরোধের জের ধরে বিদ্যালয়ের সামনে মাঠের অংশে গড়ে উঠছে ব্যাক্তি মালিকানা মার্কেট । এতে জনসমাগমের কোলাহলে বিদ্যালয়ের পড়ালেখা মারাত্বক ভাবে বিঘিত হচ্ছে। নোয়াখালী দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার পশ্চিম সোনাদিয়া চৌরাস্তা মাহমুদুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র এটি।

সরজমিন গিয়ে জানা যায়, বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে খেলার মাঠের অংশে প্রধান সড়কের পাশে বিশাল মার্কেট তরি করা হয়ছে। এতে পড়ালেখার পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদর খেলার জায়গা আর থাকলো না। মার্কেটের মালিক আব্দুর রহিম জানান, এটি তাদর মালিকানা জায়গা।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানাযায়, স্কুলের জমি দাতা দিলাল মেম্বার স্কুলকে দলিল করে ৫০ শতক জমি দিয়েছিলেন, কিন্তু দখল বুঝিয়ে দিয়েছেন মাত্র ১২ শতক। এই বিষয়টি নিয়ে স্কুলের শিক্ষকেরা দিলাল মম্বারের সঙ্গে আলাপ করলে, তিনি বাকি জমি বুঝিয় দেওয়ার আশ্বাস দেন। সম্প্রতি দাতার মত্যুতে বিষয়টি আরা জটিল আকার ধারণ করে। দাতার চার ছেলে জমি না দিয় উল্টা (১২ শতকের মধ্যে) স্কুল মাঠ দখল করে অনেক গুলা দোকান ভিটা স্থাপন করে দাকান ঘর তরী করে ।

স্কুল মাঠ দখলের কারণে বিদ্যালয়ের সাড়ে তিন শতাধিক কোমলমতি শিশুরা স্বাভাবিক পরিবেশ থেকে, মেধার স্বাভাবিক বিকাশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দোকানের জেনারেটরের আওয়াজের কারণে ভয়াবহ শব্দ দূষণেরও শিকার হচ্ছেন শিশুরা। অভিবাবকেরা বলছেন, এমন নানা সমস্যার কারণে এই স্কুলের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন তারা।

এ ব্যাপারে সোনাদিয়া ইউনিয়নর দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাসহকারী ভূমি অফিসার জিহাদ উদ্দিন জানান, দাতা বিদ্যালয়র নামে ৫০ শতক ভুমি দান করে। তবে নতুন রকর্ডে বিদ্যালয়ের নামে ১২ শতক রেকর্ড হয়। বাকী জমি ব্যাক্তি মালিকানায় রেকর্ড হয়।

এ বিষয় হাতিয়া উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তা রজাউল করিমকে অবহিত করা হলে তিনি জানান, তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন।