উত্তম সাহা, হাতিয়া প্রতিনিধি : র‍্যাবের সাথে বন্ধুক যুদ্ধে এক ডাকাত সর্দার নিহত হয় এসময় ৬টি আগ্নেয়াস্রসহ ৪ ডাকাতকে আটক করা হয়। বৃহ:বার ভোরে ঘটনাটি ঘটে নোয়াখালী দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বুডিচর ইউনিয়নের সূর্যমূখী ঘাটে। পরে আটক ডাকাত সদস্যদের হাতিয়া থানায় সৌপার্দ করা হয়।
র‍্যাব ১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: জসিম উদ্দন চৌধুরী পি পি এম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে দীর্ঘদিন থেকে ডাকাতের একটি গ্রুপ নদীতে নামার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদেরকে নেতৃত্ব দিচ্ছে ডাকাত সর্দার বাহার। সে মোতাবেক বুধবার রাতে ডাকাত সদস্যরা হাতিয়ার সূর্যমূখী ঘাটে একটি ট্রলারে নদীতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ সংবাদ পেয়ে র‍্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রলারটি আটক করার চেষ্ঠা করলে দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি হয়। পরে আহত অবস্থায় ১জন ও ট্রলারের মধ্যে থাকা ৪জনকে আটক করে র‍্যাব। আহত ডাকাত সদস্যকে হাতিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে। এসময় ট্রলার থেকে র‍্যাব ৬টি একনালা বন্ধুক ৬টি কার্টুজ উদ্ধার করে। আটক ডাকাত সদস্যরা জানান, নিহত ডাকাত তাদের লিডার বাহার। নিহত বাহার হাতিয়ার বুডিরচর ইউনিয়নের কালিচর গ্রামের মৃত শাহে আলমের ছেলে। আটক ৪ ডাকাত হলো রাজবাডি জেলার কালিয়া কান্দি উপজেলার মাতলাখালী গ্রামের শাহাদাত শেখের ছেলে শান্ত শেখ (২০) , হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপের বাদল মাঝির ছেলে ইউছুফ (৪৫), হাতিয়ার বয়ারচরের শান্তিপুর গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হোসেনর ছেলে আলা উদ্দিন (৪০) ও হাতিয়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের আবুল কাশেমের ছেলে মুরাদ(৩০)।

এদিকে বৃহ:বার সকালে আনুষ্ঠানিক ভাবে আটক ডাকাত সদস্যদেরকে অস্রসহ হাতিয়া থানায় সৌপার্দ করা হয়। এব্যাপারে র‍্যাব বাদী হয়ে ৪ ডাকাতকে আসামী করে হাতিয়া থানায় একটি অস্র আইনে মামলা করে।

এব্যাপারে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) কাঞ্চন কান্তি দাস জানান নিহত ডাকাত সর্দার বাহারের লাশ ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেলা সদরে পাঠানো হচ্ছে। ময়না তদন্ত শেষে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।