শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৫৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
হাতিয়ায় ছাত্রদলের পদবঞ্চিতদের জুতা ঝাডু নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল প্যারেডবিহীন করোনাকালের হ্যালোইন উৎসব ;  তানিজা খানম জেরিন মনে পড়ে ফুলনদেবীর কথা ? “ রুখে দাও ধর্ষণ “ নিউইয়র্ক গভর্নরের সর্বোচ্চ সম্মান পেল বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সুবর্ণ “কবি সফিক আলম মেহেদী ও সঙ্গীত শিল্পীর শিরিন আক্তার চন্দনার বিয়ে” সকল গৌরবময় ইতিহাসের স্বাক্ষী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অন্য সবকিছুর মতো মার্কেটিংও অতিক্রম করছে সংকট সন্ধিক্ষণ লালমনিরহাটে ছাত্রী ধর্ষণের দায়ে মামলা লালমনিরহাটে মাটির নিচে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ বিমানের ধ্বংসাবশেষের উদ্ধার বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ১৫ দিন ধরে নিখোঁজ বুড়িচংয়ের মরিয়ম
পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কিলোমিটার দৃশ্যমান

পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কিলোমিটার দৃশ্যমান

পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কিলোমিটার দৃশ্যমান

জাজিরা প্রান্তে বসানো হলো পদ্মা সেতুর ৩০তম স্প্যান। আর এর মাধ্যমে দৃশ্যমান হয়েছে সেতুর সাড়ে ৪ কিলোমিটার অংশ। বাকি থাকল আর মাত্র ১১টি স্প্যান।

শনিবার সকালে এই স্প্যানটি বসানো হয়। সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে শরিয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে ২৬ ও ২৭ নম্বর পিলারে স্প্যান বসানো শেষ হয়।

এর আগে, শুক্রবার সকাল পৌঁনে ৯টার দিকে ধূসর রঙের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটি মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে তিন হাজার ৬০০ টন ধারণক্ষমতার ‘তিয়ান ই’ ভাসমান ক্রেন বহন করে রওনা দেয়। নির্ধারিত পিলারের কাছে পৌঁছায় দুপুর ১টার দিকে।

আগামী বছরের জুনে পদ্মাসেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। করোনা ভাইরাসের কারণে কাজ বন্ধ হয়নি পদ্মাসেতুর। কিন্তু গতি কমেছে।

এর আগে চলতি মাসেই সোমবার (৪ মে) পদ্মা সেতুতে বসানো হয় ২৯তম স্প্যান। ওই সময় দৃশ্যমান হয় ৪ হাজার ৩৫০ মিটার। বেশিরভাগ অংশই দৃশ্যমান এখন দেশের মেগা প্রকল্প পদ্মা বহুমুখী সেতুর।

কাজের বর্তমান অবস্থা আশার আলো দেখালেও কোনোভাবেই সহজ ছিল না শুরুটা। ২০১৫ সালে শুরুর পর কাজের অগ্রগতি হোঁচট খায় নকশা জটিলতায়। ২২টি পিলারের নিচে মাটির গঠনগত জটিলতা দেখা দিলেও আশা ছাড়েননি প্রকৌশলীরা।

দেশি বিদেশি বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত দেড়বছর পর নতুন নকশায় শুরু হয় জটিলতায় থাকা পিলারগুলোর কাজ।

প্রকৌশলগত পিপিইর পাশাপাশি স্বাস্থ্যগত পিপিই ব্যবহার করে আগেই নিশ্চিত করা হয় সুরক্ষা। এর আগে গত ১৭ মার্চ শেষ করা হয়েছিল ৪১তম পিলারটির কাজ। এক সাথে সব পিলারের নকশা সমাধান হলেও ধারাবাহিকতা রক্ষায় একটির পর একটির কাজ শেষ করা হয়।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মূলসেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে চীনের ‘সিনো হাইড্রো করপোরেশন’।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বসত্ব ® দেশের সময়.কম কর্তৃক সংরক্ষিত।