শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
হাতিয়ায় ছাত্রদলের পদবঞ্চিতদের জুতা ঝাডু নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল প্যারেডবিহীন করোনাকালের হ্যালোইন উৎসব ;  তানিজা খানম জেরিন মনে পড়ে ফুলনদেবীর কথা ? “ রুখে দাও ধর্ষণ “ নিউইয়র্ক গভর্নরের সর্বোচ্চ সম্মান পেল বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সুবর্ণ “কবি সফিক আলম মেহেদী ও সঙ্গীত শিল্পীর শিরিন আক্তার চন্দনার বিয়ে” সকল গৌরবময় ইতিহাসের স্বাক্ষী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অন্য সবকিছুর মতো মার্কেটিংও অতিক্রম করছে সংকট সন্ধিক্ষণ লালমনিরহাটে ছাত্রী ধর্ষণের দায়ে মামলা লালমনিরহাটে মাটির নিচে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ বিমানের ধ্বংসাবশেষের উদ্ধার বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ১৫ দিন ধরে নিখোঁজ বুড়িচংয়ের মরিয়ম
লকডাউন খুলে দেওয়া ও মেঘ দেখে স্কুল ছুটি!

লকডাউন খুলে দেওয়া ও মেঘ দেখে স্কুল ছুটি!

লকডাউন খুলে দেওয়া ও মেঘ দেখে স্কুল ছুটি!

ছোট বেলায় আকাশে মেঘ দেখলে প্রধান শিক্ষকের পরামর্শে অন্য শিক্ষকরা ছাত্র ছাত্রীদের শ্রেণি কক্ষে বসিয়ে চুপ করে বসিয়ে রাখতেন।

ছেলে মেয়রা কথা বললে ধমক দিয়ে আবার চুপ করাতেন। আবার ছেলে মেয়েরা বকবক করতেন, শিক্ষক আবার ধমক দিতেন। একটু পর ঝিরিঝিরি বৃষ্টি আরম্ভ হলো।

শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের সাথে আবার পরামর্শে বসলেন। সবাই একমত হলেন এখন ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হচ্ছে। স্কুল ছুটি দিলে ছাত্র ছাত্রীরা ভিজে যাবে। তাদের ঠান্ডা জ্বর, সর্দি হবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে বৃষ্টি থেমে যাবে। আবার শ্রেণি শিক্ষকেরা যারযার শ্রেণিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের চুপচাপ বসে থাকতে বললেন। শিক্ষার্থীরা আগের মতোই শিক্ষকের ধমক খেয়ে চুপ হয়ে যান। আবার বকবক করেন। এবার শিক্ষকরা বিরক্ত হয়ে আবার প্রধান শিক্ষকের সাথে পরামর্শে বসেন। শিক্ষকরা বলেন, বাচ্চাদের বকবকানি আর ভালো লাগেনা। তাই সবাই একমত হয়ে তাদের শর্ত সাপেক্ষ ছুটি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকরা এসে ছাত্র ছাত্রীদের শর্ত দিয়ে বললেন, সবাই আলাদা আলাদা বাড়ি যাবে, মাথায় পলিথিন বেধে রাখবে, সম্ভব হলে ছাতা মাথায় দিবে, পা টিপে টিপে হাটবে, ইত্যাদি ইত্যাদি।

একথা বলে সবাইকে ছুটি দিয়ে দিলেন। আর একটু পরই আরম্ভ হলো মুষলধারে বৃষ্টি। শিক্ষরা নিরাপদে অফিসে বলে রইলেন। দপ্তরি লাল মিয়াকে দিয়ে পাশের দোকান থেকে একটু পর পর চা বিস্কুট এনে খাচ্ছেন। এদিক ছেলে মেয়েরা বই খাতা সহ বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি গেলেন। কেউ পিচ্ছিল রাস্তায় পড়ে গিয়ে কাঁদা মেখে হাত পা ভেঙ্গে কান্নাকাটি করতে করতে বাড়ি গেলেন। এতে কারও কারও জ্বর, কারও সর্দি কাশি দেখা দিলো। অবশ্য এরই মধ্যে শিক্ষকরা তাদের ছাতা নিয়ে আবার কেউ রিকসা নিয়ে নিরাপদে বাড়ি চলে গেলেন।

লেখকঃ কামরুজ্জামান জানি
সম্পাদক ও প্রকাশক
মুক্তির লড়াই।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বসত্ব ® দেশের সময়.কম কর্তৃক সংরক্ষিত।