শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলা পরিচালনায় ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রের সহায়তা চাইলেন সৌদি নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতওআইসিরস স্থায়ী প্রতিনিধি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার) হাতিয়ায় ৫ হাজার তালবীজ বপন করেছে উপক’ল ফাউন্ডেশন কমলগঞ্জ শারদীয় দূর্গাপূজায় ৩দিনের সরকারি ছুটির দাবিতে মানববন্ধন ও স্বারকলিপি প্রদান যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগ পরিবার পালন করলো প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন করলো নিউইয়র্ক মহানগর যুবলীগ সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা মহানগর আ’লীগের উদ্দোগে নবজাগরণের অগ্রদূত প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মবার্ষিকী পালন হাতিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবক লীগের দিন ব্যাপি কর্মসূচী পালিত শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্যই বঙ্গবন্ধু হত্যা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে-মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আলামিয়া- নুরুল ইসলাম স্মৃতি ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে পবিত্র কছিদা বুরদা শরীফ খতমে খাজেগান, খতমে শেফা শরীফও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা যাবে না : হানিফ
আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস

আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস

আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস

পরিবেশ দূষণ আজ সারা পৃথিবীর একটি বিরাট সমস্যা।মানব সভ্যতার রক্ষার স্বার্থে এই পৃথিবীর মনুষ্যবাসোপযোগী পরিবেশকে রক্ষা করতে হবে৷এই সমস্যা সমাধানের জন্য আমাদের কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে । সব রকম দূষণ থেকে আমাদের মুক্তি দিতে পারে একমাত্র উদ্ভিদ । সবুজ উদ্ভিদ বা গাছ সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের খাদ্য নিজে প্রস্তুত করতে পারে । এই প্রক্রিয়ায় গাছ বাতাস থেকে কার্বন-ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে আর বাতাসে অক্সিজেন ছেড়ে দেয়।যে অক্সিজেন প্রাণীজগতের বাঁচার জন্য অপরিহার্য্য । তাই বেশি করে গাছ লাগাতে হবে এবং সংরক্ষণ করতে হবে । তাহলে বাতাসে কার্বন-ডাই অক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকবে । যে মানুষ এই পরিবেশ রক্ষা করবে বিশুদ্ধ করবার মহান দায়িত্ব বহন করবে, সে মানুষের মনকে আগে বিশুদ্ধ করবার চিন্তা করতে হবে৷ কেননা ভালমন্দর সবকিছুর সৃষ্টি আগে মানুষের মনে৷আমি মনে করি আমাদের দোষেই বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ বায়ুদূষণ বাড়ছে৷ তার সঙ্গে আমাদের অতিলোভের ফলে খাদ্যে দূষণ , পানীয়ে দূষণ৷ কিছুই প্রায় দূষণমুক্ত নয়৷ ফলে নানান কঠিন কঠিন ব্যাধি জন্ম নিচ্ছে৷আমাদের চারপাশের জলবায়ু, গাছপালা, মাটি, অন্যান্য প্রাণী, মানুষ, জৈব ও অজৈব সমস্ত কিছু নিয়েই আমাদের পরিবেশ৷ পৃথিবীর পরিবেশ জীব বিকাশের পক্ষে অনুকূল বলেই এই পৃথিবীতে মানুষের বাস৷ অথচ সৌরজগতের আর কোথাও বা বিশ্বব্রহ্মান্ডের কোথাও এখন মানুষ জীবের সন্ধান পাচ্ছে না৷ হয়তো বিশ্বব্রহ্মান্ডের কোথাও না কোথাও জীব আছে৷ হয়তো, দূরবর্তী কোনো নক্ষত্রের সংসারে৷ যেমন এ সূর্যের সংসারে পৃথিবী এমনি কোনো পৃথিবী আছে সেখানে হয়তো মানুষ আছে, কিন্তু এখনো আমাদের বিজ্ঞানীদের জানার বাহিরে৷ তাই এখন আমরা বলতে পারি,এ সুবিশাল বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে একমাত্র পৃথিবীর পরিবেশ মনুষ্য বসবাসপোযোগী৷ এর বাইরে মানুষের বাঁচবার বেড়ে ওঠবার কোন স্থান নেই৷কিন্তু আমাদের অবিমৃশ্যকারিতার জন্যে এই পৃথিবীর পরিবেশ ক্রমশইঃ দূষিত হয়ে যাচ্ছে,মনুষ্যবাসের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে৷গাছপালা বায়ুতে অক্সিজেনের জোগান দেয়, বায়ুর ধূলা, ধোঁয়া প্রভৃতি শুষে নেয়, বৃষ্টি ঘটায়৷ কিন্তু মানুষ অতিলোভের বশবর্তী হয়ে বনজঙ্গল দ্রুত ধবংস করছে ও নানান পশুপাখীও ধবংস করছে৷ এই পশুপাখীরাও প্রাকৃতিক ভাবে পরিবেশকে দূষণ মুক্ত রাখতে সাহায্য করে৷ আমাদের রসনাকে পরিতৃপ্ত করতে পশুপাখী মেরে খেয়ে ফেলছি৷ যার ফলে আসলে আমরা নিজেদের সভ্যতার মূলেই কুঠারাঘাত করছি৷পরিবেশকে বিশুদ্ধ করার জন্যে আমাদেরকে সংকল্প নিতে হবে, আর বন, সেই থেকে প্রতি বছর ধবংস নয়, বরং বনসর্জন চাই৷ সেক্ষেত্রে নিতান্ত যদি প্রয়োজনে কোনো একটি গাছ কাটতেই হয়, তাহলে তার পরিবর্তে যেন দশটি গাছ লাগাই৷ এছাড়াও প্রতি বছর ব্যাপকভাবে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নিতে হবে৷ জল পরিবেশের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান ৷ বলা হয় জলের অপর নাম জীবন৷ জল পানীয়ের জন্যেও যেমন প্রয়োজন, কৃষিকার্যের জন্যেও জল প্রয়োজন৷ আমাদের পানীয় জলের অভাব মেটাতে ও কৃষিকার্যের জন্যে আমরা সহজে ভূগর্ভ থেকে জল তুলছি৷ এটা ভবিষ্যতের জন্যে অশনি সংকেত হয়ে দেখা দিচ্ছে৷ তাই মাটির নীচের জলভান্ডারে হাত না দিয়ে প্রকৃতি বৃষ্টিরূপে যে বিপুল জনসম্পদ দান করেন, সে জলকে সংরক্ষণ করতে হবে৷আজ মানব সভ্যতার অস্তিত্ব বিঘ্নিত।এই গভীর সংকটের মোকাবিলা করার জন্য আমাদের প্রত্যেকেই সচেতন হতে হবে এবং নজর দিতে হবে যাতে পরিবেশের দুষণের মাত্রা না বাড়ে।নিজে সচেতন হই অন্যকে সচেতন করি।

কলামিস্ট কবির নেওয়াজ রাজ
এমএসএস রাষ্ট্রবিজ্ঞান
সিসি জার্নালিজম
এলএলবি ফাইনাল পরীক্ষার্থী

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বসত্ব ® দেশের সময়.কম কর্তৃক সংরক্ষিত।