বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৭:০৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
প্যারেডবিহীন করোনাকালের হ্যালোইন উৎসব ;  তানিজা খানম জেরিন মনে পড়ে ফুলনদেবীর কথা ? “ রুখে দাও ধর্ষণ “ নিউইয়র্ক গভর্নরের সর্বোচ্চ সম্মান পেল বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সুবর্ণ “কবি সফিক আলম মেহেদী ও সঙ্গীত শিল্পীর শিরিন আক্তার চন্দনার বিয়ে” সকল গৌরবময় ইতিহাসের স্বাক্ষী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অন্য সবকিছুর মতো মার্কেটিংও অতিক্রম করছে সংকট সন্ধিক্ষণ লালমনিরহাটে ছাত্রী ধর্ষণের দায়ে মামলা লালমনিরহাটে মাটির নিচে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ বিমানের ধ্বংসাবশেষের উদ্ধার বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ১৫ দিন ধরে নিখোঁজ বুড়িচংয়ের মরিয়ম ধর্ষণ প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ড ; অ্যান্টিবায়োটিকটি শক্ত হলেও কাজ হবে কি?
চট্টগ্রামে দু’সপ্তাহে তৈরি বিদ্যানন্দের ১শ’ শয্যার হাসপাতাল

চট্টগ্রামে দু’সপ্তাহে তৈরি বিদ্যানন্দের ১শ’ শয্যার হাসপাতাল

চট্টগ্রামে দু'সপ্তাহে তৈরি বিদ্যানন্দের ১শ’ শয্যার হাসপাতাল

চট্টগ্রামে মাত্র দু’সপ্তাহে ১শ’ শয্যার ফিল্ড হাসপাতাল তৈরি করে করোনা রোগীদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। সাধারণ মানুষের টাকায় নির্মিত এই হাসপাতাল ব্যবহৃত হবে জনগণের সেবায়। যেখানে শুধুমাত্র আইসিইউ ছাড়া বাকি সব সুযোগ সুবিধায় নিশ্চিত করা হচ্ছে।

নগরীতে জনসংখ্যার তুলনায় হাসপাতালের সংখ্যা একেবারে নগণ্য। এর মাঝে করোনা রোগীর সংখ্যা আশংকাজনক হারে বাড়তে থাকায় পুরো চিকিৎসা কার্যক্রমই ভেঙে পড়ার উপক্রম। হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরেও করোনা রোগীরা সেবা পাচ্ছেন না।

এই অবস্থায় করোনা রোগীদের সেবায় এগিয়ে এসেছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। পুলিশের সহযোগিতায় নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় মাত্র দু’সপ্তাহে তৈরি করেছে ১০০ শয্যার ফিল্ড হাসপাতাল।

সিএমপি কমিশনার মো. মাহবুবর রহমান জানান, আমরা এই হাসপাতালের মাধ্যমে নগরবাসীকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি। যারা প্রান্তিক লেভেলের করোনা রোগী আছেন তারা এই হাসপাতালে সেবা পাবেন।

এই হাসপাতালে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রতিটি বেডের সাথে সংযুক্ত থাকছে করোনা রোগীদের জন্য অত্যাবশীয় অক্সিজেন সিলিন্ডার।

এই হাসপাতালে নিয়মিত চিকিৎসকদের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশি চিকিৎসকরা এখানে স্বেচ্ছাশ্রমে চিকিৎসা দিবেন।

সিএমপি বিদ্যানন্দ ফিল্ড হাসপাতালের সমন্বয়কারী মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন জানান, আমাদের সেন্ট্রাল অক্সিজেন সেন্টার রয়েছে। কোভিড রোগীর জন্যে বেসিক যা প্রয়োজন সেটির নিশ্চয়তা এখানে আছে এবং আমাদের সেবা।

সংক্রামক ব্যাধি হওয়ার কারণে চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট কর্মচারী পাওয়া কঠিন বিষয়। তাই হাসপাতালেই প্রস্তুত করা হচ্ছে দক্ষ স্বেচ্ছাসেবক টিম। চলছে নিবিড় প্রশিক্ষণ এবং মোটিভেশনাল কার্যক্রম।

এখানকার স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষক জানান, এখানে ফিমেল এবং মেল আলাদা ওয়ার্ড রয়েছে। রোগীর বাইরে থেকে কিছুই আনতে হবে না, সব এখান থেকেই ব্যবস্থা করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থেকেই রোগী ভর্তি শুরু হবে এখানে। থাকবে ইনডোর এবং আউটডোর চিকিৎসা সেবা।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বসত্ব ® দেশের সময়.কম কর্তৃক সংরক্ষিত।