রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ১০:৪২ অপরাহ্ন

যুব মহিলা লীগ নেত্রী ও গাংনী উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের অসামাজিক কার্যকলাপ অতঃপর বিয়ে!

যুব মহিলা লীগ নেত্রী ও গাংনী উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের অসামাজিক কার্যকলাপ অতঃপর বিয়ে!

যুব মহিলা লীগ নেত্রী ও গাংনী উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের অসামাজিক কার্যকলাপ অতঃপর বিয়ে!

দিনের পর দিন অসামাজিক কার্যকলাপ অতঃপর প্রতিবেশির হাতে ধরা খেয়ে, অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে গাংনী উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও যুব মহিলা লীগ নেত্রী ফারহানা ইয়াসমিন। সদর উপজেলার শোলমারী গ্রামের যুবক গোলাম সরোয়ার সবুজের সাথে আজ দুপুরে ভাইস চেয়ারম্যানের চৌগাছা বাসভবনে ২০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে সম্পন্ন হয়।
বর সরোয়ার হোসেন সবুজ এক কন্যা সন্তানের জনক। তার স্ত্রী স্কুল শিক্ষিকা বলে জানা গেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমিনের স্বামী শাহাবুদ্দিন মৃত্যুবরণ করলে তিনি একমাত্র মেয়েকে নিয়ে ওই বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
আজ সকালের দিকে ওই যুবক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়িতে আসেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক ফারহানা ইয়াসমিনকে ওই বাড়িতে আটকে রাখে। যুবকের সাথে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের অনৈতিক সম্পর্কের দাবি করে তার বাড়িতে আটকে রাখা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টি পূর্বপরিকল্পিতভাবে সম্মানহানি করা হচ্ছে বলে দাবি করেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমিন। তাদেরকে ঘরে তালাবন্দি করা লোকজন মারধর করেছে বলেও বিচারের দাবি করেন তিনি।
এদিকে খবর পেয়ে ফারহানা ইয়াসমিন এর বাড়িতে যান মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গাংনী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ খালেক, গাংনী পৌর মেয়র আশরাফুল ইসলাম ও গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ওবায়দুর রহমান। এ সময় তারা ওই যুবক এবং ফারহানা ইয়াসমিনের সাথে আলাদা আলাদা কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত ও প্রকৃত সত্য জানার চেষ্টা করেন।
এদিকে বিষয়টি দ্রুতগতিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে মুখোরোচক সমালোচনার জন্ম দেয়। বিষয়টি হয়ে পড়ে টক অব দ্যা এরিয়া। শেষ পর্যন্ত দুপুরে মোহসিনুল হক মহসিন হুজুর ফারহানা ইয়াসমিন ও গোলাম সরোয়ার সবুজের ২০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে পড়িয়ে দেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ খালেক ও পৌর মেয়র আশরাফুল ইসলামসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তাদের বিয়ের বিষয়টি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সামাজিক সমাধান বলে সাংবাদিকদের জানান এম এ খালেক।
গাংনী পৌর মেয়র আশরাফুল ইসলাম বলেন, উভয়ের সম্মতিতে সামাজিকভাবে বিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সুত্র: মেহেরপুরের চোখ

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বসত্ব ® দেশের সময়.কম কর্তৃক সংরক্ষিত।